স্কুলের ১ম-৯ম শ্রেণির লটারিতে নির্বাচিতদের ভর্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৭ ডিসেম্বর থেকে লটারিতে চান্সপ্রাপ্তদের ভর্তি করা হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধানদের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
মাধ্যমিক স্কুলের ১ম-৯ম শ্রেণির লটারিতে নির্বাচিতদের ভর্তির নিয়ম
২০২৬ সালের সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলের ১ম-৯ম শ্রেণির ভর্তি লাটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ ডিসেম্বর তারিখে এই লটারি প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। লটারিতে মেধাতালিকায় নির্বাচিতদের ভর্তি শুরু হবে ১৭ ডিসেম্বর থেকে।
ভর্তি লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি হতে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ১১ ডিসেম্বর তারিখে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে, ভর্তির সময়সূচি ও অন্যান্য নিয়মাবলীর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তির সময়সূচী
ভর্তির লটারির ফলাফলে নির্বাচিতদের তালিকা (মেধাতালিকা) অনুযায়ী ১৭/১২/২০২৫ থেকে ২১/১২/২০২৫ তারিখের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচিত তালিকা থেকে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার পর আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ১ম অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ক্রমানুসারে ২২/১২/২০২৫ থেকে ২৪/১২/২০২৫ তারিখের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
১ম অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার পর আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ২য় অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ক্রমানুসারে ২৭/১২/২০২৫ থেকে ৩০/১২/২০২৫ তারিখের মধ্যে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
তবে আবশ্যিকভাবে ভর্তির সকল কার্যক্রম ৩০/১২/২০২৪ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি গ্রহণের সময় নিচের অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিষয়গুলো অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
স্কুল ভর্তিতে যে বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে
সরকারি বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলের ভর্তিতে নিম্নোক্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে।
১। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল লটারির আওতাভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ https://gsa.teletalk.com.bd/ লিংকে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানের User ID & Password দিয়ে Login করে ডাউনলোড অপশনটি Click করার পর তাঁর প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারীদের তালিকা পেয়ে যাবেন।
ডিজিটাল লটারিতে তাঁর প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্বাচিত, ১ম অপেক্ষমাণ ও ২য় অপেক্ষমাণ তালিকার শিক্ষার্থীদের আবেদন সংক্রান্ত তথ্য এই লিংক থেকে যাচাই করতে পারবেন।
লিংকে তথ্যাদি টাইপ করে Submit করলে আবেদনকারী কতবার আবেদন করেছে তা জানা যাবে। এক্ষেত্রে কোন আবেদনকারী তথ্য পরিবর্তন করে একাধিকবার আবেদন করে থাকলে ডিজিটাল লটারিতে তার ভর্তির নির্বাচন বাতিল বলে গণ্য হবে।
সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাঁদের ওয়েবসাইটে এবং নোটিশ বোর্ডে শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত তালিকা এবং ১ম ও ২য় অপেক্ষমাণ তালিকা প্রদর্শন করবেন।
২। ভর্তিকালীন নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতে হবে।
৩। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কাগজপত্র যাচাইকালীন শিক্ষার্থীর জন্ম সনদের মূল কপি, জন্ম সনদের অনলাইন কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে
অনলাইনে যাচাই করতে হবে), পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি ভালো করে দেখতে হবে।
৪। মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে কোন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়ে থাকলে (যাচাই সাপেক্ষে) তাকে ভর্তি করা যাবে না।
৫। শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সর্বশেষ জারিকৃত ভর্তি নীতিমালায় যে সকল কোটা সংরক্ষণের নির্দেশনা রয়েছে ভর্তির সময় উক্ত কোটাসমূহে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কোটা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে।
নির্বাচিত তালিকার মধ্য থেকে কোটার শূন্য আসন পূরণ না হলে পর্যায়ক্রমে ১ম ও ২য় অপেক্ষমাণ তালিকা হতে ক্রমানুসারে কোটার শূন্য আসন পূরণ করতে হবে।
এরপরও যদি কোটার শূন্য আসন পূরণ না হয় সেক্ষেত্রে সাধারণ নির্বাচিতদের মধ্য থেকে তালিকার ক্রমানুসারে উক্ত শূন্য আসন পূরণ করতে হবে। কোনভাবেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।
৬। সর্বোপরি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সর্বশেষ জারিকৃত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
৭। উপরোল্লিখিত নির্দেশনা অনুসরণ না করে বিধিবহির্ভূতভাবে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে এবং পরবর্তীতে তা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট
প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন।
আরো দেখুন:
মাধ্যমিক স্কুলের ভর্তি লটারির ফল জানবেন যেভাবে
সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির বয়স ২০২৬ (১ম-৯ম শ্রেণি)





