/ / মাদ্রাসা ও কারিগরি এমপিও নীতিমালা (সংশোধিত) ২০২০ প্রকাশ

মাদ্রাসা ও কারিগরি এমপিও নীতিমালা (সংশোধিত) ২০২০ প্রকাশ

মাদ্রাসা ও কারিগরি এমপিও নীতিমালা (সংশোধিত) ২০২০

মাদ্রাসা ও কারিগরি সংশোধিত এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০২০ প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের নীতিমালার কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এছাড়া স্কুল-কলেজ এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন প্রতিষ্ঠান এর এমপিওকরণ ও নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে, ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এমপিও নীতিমালার কিছু বিষয়ে অসঙ্গতি ও শিক্ষক সমাজের দাবীর মুখে মন্ত্রণালয় তা সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ধারাবাহিকভাবে বেশ কয়েকটি সভার এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সভায় অংশগ্রহণ করেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, শিক্ষা সচিবালয়ের কর্মকর্তাসহ শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধি।

সবশেষ ২৩ নভেম্বর মন্ত্রণালয় এর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, সংশোধিত নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে।

২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করার সময়ে, নীতিমালার কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতা ও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাই এই সংশোধনের প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়।

আরো পড়ুন: এমপিও নীতিমালা ২০২১: স্কুল-কলেজ এমপিও নীতিমালা (সংশোধিত)

সংশোধিত বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা ও কারিগরি) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২০

২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ঘোষিত এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোর কিছু বিষয়ের সংশোধন করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় সহকারী অধ্যাপক পদের সংখ্যার অনুপাত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মাদ্রাসার  মোট প্রভাষক সংখ্যার অর্ধেক এখন সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। আগে যেখানে এক তৃতীয়াংশ প্রভাষক উক্ত পদে পদোন্নতি পেতেন।

আরো একটি বিষয়ে লক্ষ্যনীয় পরিবর্তন হয়েছে, আলিম মাদ্রাসা ও কারিগরি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিএম কলেজের ক্ষেত্রে নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

এখানে জ্যৈষ্ঠ প্রভাষক নামে নতুন পদের নামকরণ করা হয়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, আগের সহকারী অধ্যাপক পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

সংশোধিত মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা ২০২০ এর আলিম মাদ্রাসার জ্যৈষ্ঠ প্রভাষকের প্যাটার্ন দেখুন। (বিস্তারিত নীতিমালার লিংক দেখুন সবশেষ অনুচ্ছেদে)।
মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা ২০২০ এর জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদ

নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়ে আগে থেকে তেমন কোন আলোচনা শোনা যায় নি। শিক্ষক সমাজ ও মন্ত্রণালয় এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আলোচনা ছিলো না।

৮ বছর পর পদোন্নতি প্রাপ্ত জৈষ্ঠ প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপকের গ্রেডেই বেতন-ভাতা প্রাপ্ত হবেন।

সহকারী অধ্যাপক ও জ্যৈষ্ঠ প্রভাষক ০৬ গ্রেডে বেতন পাবেন।

ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সহকারী অধ্যাপক পদ থাকলেও কারিগরিতে আর পদটি থাকছে না।

এক্ষেত্রেও জ্যেষ্ঠ প্রভাষকের বেতন-ভাতা সহকারী অধ্যাপকের সমানই থাকছে।

তবে কারিগরি ও আলিম মাদ্রাসায় সহকারী অধ্যাপক পদ না থাকায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

কোন আলোচনা না করে পদটি বিলুপ্ত করায় তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

এদিকে সংশোধিত মাদ্রসা এমপিও নীতিমালায় জনবল কাঠামোয় কয়েকটি পদে পরিবর্তন করা হয়েছে।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

এছাড়া মাদ্রসার শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ নির্দেশনা সংক্রান্ত আরেক বিজ্ঞপ্তিতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ দিতে বলাা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এখান থেকে

মাদ্রাসা শিক্ষক, প্রভাষক ও কর্মচারীদের পদোন্নতির নীতিমালা

মাদ্রাসার দাখিল স্তরে ডিগ্রি বিহীন সহকারী শিক্ষক/সহকারী মৌলভী যোগদানের ৮ বছরের মধ্যে বিএড/সমমানের ডিগ্রি অর্জন করলে বেতন গ্রেড ১০ প্রাপ্ত হবেন।

প্রভাষকগণ ৮ বছর পূর্তিতে ৫০% জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে আলিম মাদ্রাসা জ্যৈষ্ঠ প্রভাষক আর দাখিল ও ফাজিল মাদ্রাসায় সহকারী অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি পাবেন।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীগণ এমপিওভুক্তির তারিখ হতে ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকুরী করলে দুটি উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্ত হবেন।

আর জানুন (নিচের ছবিতে), সংশোধিত মাদ্রসা এমপিও নীতিমালা ২০২০ এর ১০ ও ১১ নম্বর পাতায় বর্ণিত পদোন্নতি/উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির নীতিমালা থেকে।

আর জানুন:

মাদ্রাসা অনলাইন এমপিও আবেদন এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা

MEMIS Madrasah MPO Application | মাদ্রাসা শিক্ষক অনলাইন এমপিও আবেদন

MEMIS Madrasah MPO Update: মাদ্রাসা এমপিও আপডেট দেখবেন কীভাবে?

কারিগরি শিক্ষক, ইন্সট্রাক্টর ও প্রভাষকদের পদোন্নতির নীতিমালা

কারগিরি প্রতিষ্ঠানের কোন সহকারী শিক্ষক চাকুরীতে যোগদানের ৫ বছরের মধ্যে সরকারি প্রশিক্ষক কলেজ বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএড/সমমানের ডিগ্রি অর্জন করলে ১০ গ্রেডে বেতন প্রাপ্ত হবেন।

শিক্ষায় অনুরূপ ডিগ্রি না করলে তিনি ১০ গ্রেডে বেতন-ভাতা পাবেন না।

প্রভাষক ও ইন্সট্রাক্টরগণ ৮ বছর পূর্তিতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে মোট পদের ৫০% জ্যৈষ্ঠ প্রভাষক/চীফ ইন্সট্রাক্টর/সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে পদোন্নতি পাবেন।

কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারীদের পদোন্নতি/উচ্চতর গ্রেড সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন, সংশোধিত কারিগরি এমপিও নীতিমালা ২০২০ এর ১০ ও ১১ নম্বর পাতায় বর্ণিত তথ্য থেকে।

২০২০ সালে সবশেষ প্রকাশিত, সংশোধিত কারিগরি ও মাদ্রসা এমপিও নীতিমালার পিডিএফ (PDF) কপি নিচের লিংক দুটিতে পাওয়া যাবে।

নীতিমালা সংগ্রহ করে মনোযোগ সহকারে পড়ে দেখুন। কোথায় বুঝতে সমস্যা হলে আমাদের লিখে জানান।

কারিগরি এমপিও ও জনবল কাঠামো ২০২০ দেখুন এখান থেকে

মাদ্রসা এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আর পড়ুন:

এমপিও শিটে ভুল সংশোধন সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে মাদ্রাসা অধিদপ্তর

Madrasah MPO Sheet Correction | মাদ্রাসা এমপিও শীটে ভুল সংশোধন

সবশেষ আপডেট: ০৪/০৭/২০২১ খ্রি. তারিখ ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন।

Share This:

16 Comments

    1. এমপিও শিটে না্ম সংশোধনের জন্য স্কুল-কলেজের ক্ষেত্রে EMIS সেলে অনলাইনে প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র যুক্ত করে আবেদন করতে হবে। এটা প্রায় এমপিও আবেদনের মতই। ধন্যবাদ।

    1. মাদ্রসা এমপিও সংশোধনী অধিদপ্তর কর্তৃক হয়ে থাকে। এমইএমআইএস সেলে অনলাইনে হয় না। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ অধিদপ্তরে আবেদন করতে হয়। ধন্যবাদ।

  1. মাদ্রাসার ইবি জুনিয়র শিক্ষক বেতন পাচ্ছেন ১৬কোডে, আর ইবি প্রধান বেতন পাচ্ছেন ১১কোডে, এটা কিভাবে সম্ভব,৫থেকে ৬টা বেতন কোড ব্যবধান,যেটা প্রাইমারিতে সহকারিরা পাচ্ছেন ১৩কোডে,মাদ্রাসা অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকষণ করছি,যেন অতি দ্রুত জুনিয়র শিক্ষকদের বেতন কোড১৩ করা হয়।

    1. আপনার দাবীর সাথে সহমত পোষণ করছি। আশা করছি খুন দ্রুত মাদ্রাসা অধিদপ্তর এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। ধন্যবাদ।

  2. সকল চাকরি জিবিদের পদায়ন হয় কিন্তু শিক্ষক দের পদায়ন হয়না,আমি বলছি কাম্য যোগ্যতা থাকলে,জুনিয়র শিক্ষক থেকে সহকারী শিক্ষক পদায়নের কোন ব্যবস্তা আছে কি?

  3. ২০০৬ এর পূর্বে কামিল পাশ সহকারী মৌলভীদের বিএড স্কেল প্রদানের অংশটি কোন যুক্তিতে ২৩ নভেম্বরের সংশোধিত নীতিমালায় বাদ দেয়া হয়েছে তা জানতে চাই। আমাদেরকে কৌশলে যে ঠকানো হলো বা একধরণের প্রতারণা করা হয়েছে আমাদের সাথে। আমরাতো বিএড করারও কোনো সুযোগ নেই। নীতিমালায় ২০০৬ এর পূর্বের কামিল পাশ সহকারী মৌলভীদের বিএড স্কেল প্রদান প্রতিস্থাপন চাই।

  4. এখন থেকে আলিম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষ পদে ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক এবং দাখিল মাদ্রাসার সুপার গন দরখাস্ত করতে পারবেন । আলিম মাদ্রাসায় যারা চাকুরী করেন তারা সব অযোগ্য।টাকা দেয়া গেল অথচ সহকারী অধ্যাপকের পরিবর্তে জৈষ্ঠ্য প্রভাষক।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।