প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২২ (১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন)

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। অনলাইনে প্রাইমারি শিক্ষকদের সমন্বিত বদলির নির্দেশিকা ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ প্রকাশিত হয়।

প্রাইমারি স্কুলের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বদলির নিয়ম-নীতির সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এই নির্দেশিকা/প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যাবে।

অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২২ (১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন)

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা-২০২২ প্রকাশ করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখে বদলি নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা/প্রজ্ঞাপনের পিডিএফ কপি  পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রজ্ঞাপন অনুসরণে প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

একজন শিক্ষকের চাকুরীর মেয়াদকাল ২ বছর পূর্ণ হলে তিনি বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে বদলির পর ৩ বছর পূর্ণ না হলে তিনি আর পুনরায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা ২০২২

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নির্দেশিকাটি “সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা ২০২২ নামে অভিহিত হবে। নির্দেশিকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন মাঠ পর্যায়ের সকল সরকারি কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

আরো জানুন:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন (শুক্র-শনিবার): প্রজ্ঞাপন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ২০২২ (২০ এপ্রিল সংশোধিত)

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক বদলির সময়কাল

সাধারণভাবে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষা বছরের জানুয়ারি-মার্চ মাসের মধ্যে একই উপজেলা/থানা, আন্তঃউপজেলা/থানা, আন্তঃজেলা, আন্তঃবিভাগ বদলি করা যাবে।

বদলির সময়কাল ব্যতিত অন্য যে কোন সময়ে কোন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হলে সেই পদে প্রধান শিক্ষক বদলি
করা যাবে।

আরো পড়ুন:

প্রাথমিক ক্লাস রুটিন ২০২২: Primary School Class Routine 2022

DPE Notice (www.dpe.gov.bd) Primary Notice দেখুন

Shikkhok Batayon Content Upload: শিক্ষক বাতায়ন কন্টেন্ট আপলোড

বদলির কর্তৃপক্ষ (যারা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালনা করবেন)

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তার নিজ অধিক্ষেত্রে একই উপজেলার মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসারের সুপারিশক্রমে সহকারী শিক্ষকদের আন্ত:বিদ্যালয় বদলির অনুমোদন প্রদান করতে পারবেন।

জেলা প্রাথথিক শিক্ষা অফিসারের অনুমোদন গ্রহণপূর্বক উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার এরূপ বদলির আদেশ জারি করবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তার নিজ অধিক্ষেত্রে আন্ত:উপজেলা/থানার মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসারের সুপারিশক্রমে সহকারী শিক্ষকদের বদলি করতে পারবেন।

একই সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন নির্দিষ্ট একটি থানার মধ্যে বা আন্তঃথানার মধ্যে বদলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানা শিক্ষা অফিসারের সুপারিশক্রমে সহকারী শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং প্রধান শিক্ষকদের সংশ্লিষ্ট থানা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সুপারিশক্রমে বিভাগীয় উপ-পরিচালক বদলি করতে পারবেন।

বিভাগীয় উপ-পরিচালক তার নিজ অধিক্ষেত্র সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের
সুপারিশক্রমে সহকারী শিক্ষকদের আন্ত:জেলা বদলি করতে পারবেন।

বিভাগীয় উপ-পরিচালক তার নিজ অধিক্ষেত্রে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সুপারিশক্রমে প্রধান শিক্ষকদের একই উপজেলা, আন্ত:উপজেলা এবং আন্ত:জেলা বদলি করতে পারবেন।

প্রশাসনিক বদলির ক্ষেত্রে বদলির কর্তৃপক্ষ বলতে মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে বুঝাবে।

বদলির সাধারণ শর্তাবলী

সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির মেয়াদ ন্যূনতম ২ (দুই) বছর পূর্ণ হলে এবং পদ শুন্য থাকলে আন্তঃ উপজেলা/থানা, আন্তঃজেলা ও
আন্তঃবিভাগ বদলি করা যাবে।

তবে, উক্ত ২.(দুই) বছরের মধ্যে একই উপজেলা/থানায় পদ শূন্য হলে বদলি করা যাবে। এছাডাও, যে কোন বদলির পর ৩ (তিন) বছর অতিক্রান্ত না হলে কোনো শিক্ষক পু্নঃবদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

প্রধান শিক্ষক বা কোন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত’ হলে, উক্ত পদে তার চাকরির মেয়াদ ২ (দুই) বছর
পূর্ণ হলে, পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে আন্তঃউপজেলা/থানা, আন্তজেলা এবং আন্তঃবিভাগ বদলি করা যাবে।

তবে, উক্ত ২ (দুই) বছরের মধ্যে একই উপজেলা/থানায় পদ শূন্য হলে বদলি করা যাবে। এক্ষেত্রেও বদলির পর ও (তিন) বছর অতিক্রান্ত না হলে কোনো শিক্ষক পুন:বদলির জন্য বিবেচিত হবেন।

যে সকল বিদ্যালয়ে ৪ (চার) জন বা তার কম সংখ্যক শিক্ষক কর্মরত আছেন কিংবা শিক্ষক ছাত্র অনুপাত ১:৪০ এর বেশি
রয়েছে, সে সকল বিদ্যালয় থেকে সাধারণভাবে শিক্ষক বদলি করা যাবে না।

নদী ভাঙন/অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো শিক্ষকের বসতভিটা বিলীন হওয়ার ফলে স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তিত হলে বা কোনো উপজেলা/থানা/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন প্রশাসনিক পুনর্গঠনের কারণে কোনো শিক্ষকের স্থায়ী ঠিকানা এবং কর্মস্থলের ঠিকানা পরিবর্তিত হয়ে দুটো ভিন্ন উপজেলা/থানা পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত হলে উক্ত শিক্ষককে নিজ স্থায়ী ঠিকানায় বদলি করা যাবে।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র, স্থায়ী ঠিকানার জমির দলিল ও খতিয়ান, বাড়ির হোল্ডিং নম্বর (সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য), ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদ, পৌর/ ইউনিয়ন পরিষদ কর পরিশোধের রশিদসহ আবেদন করতে হবে।

উপজেলা/থানায় কোনো পদ শূন্য হলে প্রথমত: সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানার অধিবাসী প্রার্থীগণ যারা নিজ উপজেলা/থানায় শূন্যপদ
না থাকায় অন্য উপজেলা/থানায় নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, দ্বিতীয়ত: সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানার অধিবাসী প্রার্থীগণ সেই পদে
বদলির জন্য অগ্রাধিকার পাবেন।

তবে, একাধিক পদ শূন্য থাকলে অন্য উপজেলা/থানা/জেলা/বিভাগের শিক্ষকগণও একইভাবে বদলির জন্য বিবেচিত হতে পারবেন।

তবে আন্তঃউপজেলা। থানা, আন্ত:জেলা কিংবা আন্ত: বিভাগ বদলির ক্ষেত্রে বদলিকৃত শিক্ষকের জ্যেষ্ঠতা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত সর্বশেষ পরিপত্র/নীতিমালা ছারা নির্ধারিত হবে।

উপজেলা বা খানার মধ্যে একই পদে একাধিক আগ্রহী প্রার্থী থাকলে তাদের মধ্যে যথাক্রমে দূরত্ব, লিঙ্গ, চাকরির জ্যেষ্ঠতা, প্রতিবন্ধিতা, বিবাহ, স্বামীর মৃত্যু/বিবাহ বিচ্ছেদ এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।

উপজেলার মোট পদের সর্বাধিক ১০% পদে সংশ্লিষ্ট উপজেলার বাইরে থেকে উপযুক্ত শিক্ষক পদ শূন্য সাপেক্ষে বদলি করা যাবে।

চাকরি লাভের পূর্বে এবং চাকরি লাভের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এমন শিক্ষক স্বামী/স্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানায় বদলী হতে ইচ্ছুক হলে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা যাবে।

এ ধরণের বদলির ক্ষেত্রে বিবাহের সময় স্বামী/স্ত্রীর যে স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে এ ঠিকানায় বদলির ক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ৩.৭ এ বর্ণিত ১০% পূরণের শর্তটি প্রযোজ্য হবে না।

এূপ বদলির ক্ষেত্রে স্বামী/স্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে বিয়ের কাবিন নামা/প্রতায়ন পত্র, সংশ্লিষ্ট পৌর মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর প্রত্যয়ন পত্র, স্বামী-স্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানার জমির দলিল, খতিয়ান এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদসহ আবেদন করতে হবে। তবে এ সুযোগ তারা সমগ্র চাকরিকালে সর্বোচ্চ ০১ (এক) বার গ্রহণ করতে পারবেন।

তবে, চাকুরীর বিজ্ঞপ্তির পূর্বে বিবাহ হয়ে থাকলে শিক্ষক স্বামী/স্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানায় বদলির ক্ষেত্রে ১০% কোটা পূরণের শর্তের আওতায় আসবেন।

বিধবা/তালাকপ্রাপ্ত শিক্ষক তীর স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানায় বদলি হতে পারবে। এবং বিধবা/তালাকপ্রাপ্ত শিক্ষক পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে স্বামীর স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানায় বদলি হতে ইচ্ছা পোষন করলে কাবিননামা/প্রত্যয়ন সহ লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে পদশূন্য থাকা সাপেক্ষে বদলি করা যাবে।

এরূপ বদলির ক্ষেত্রে নিজের স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা সাপেক্ষে এবং স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে সংশ্লিষ্ট পৌর মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর প্রত্যয়ন পত্র, স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার জমির দলিল ও খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদসহ আবেদন করতে হবে।

বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তা শিক্ষককে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে পিতা/তার স্থায়ী ঠিকানায় অথবা তার বর্তমান স্থায়ী ঠিকানায় বদলি করা যাবে।

এক্ষেত্রে পিতার বা তার বর্তমান স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে সংশ্লিষ্ট পৌর মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়ন পত্র, পিতার স্থায়ী ঠিকানার জমির দলিল, খতিয়ান, এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদসহ আবেদন করতে হবে। তবে এ সুযোগ তারা সমগ্র চাকরিকালে সর্বোচ্চ ০১ (এক) বার গ্রহণ করতে পারবেন।

কোন শিক্ষকের স্ত্রী বা স্বামী সরকারি/আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলে তাকে স্ত্রী বা স্বামীর কর্মস্থলে
বদলির সুযোগ দেয়া যেতে গারে। তবে এ সুযোগ তারা সমগ্র চাকরিকালে সর্বোচ্চ ০২ (দই) বার গ্রহণ করতে পারবেন।

কিন্তু ৩:৮ উপ-অনুচ্ছেদের আওতায় স্বামী-স্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানায় বদলির সুযোগ গ্রহণকারী এই উপঅনুচ্ছেদের আওতায় বদলির সুযোগ পারেন না।

প্রশাসনিক কারণে বদলি

আচরণবিধি লংঘন বা শৃঙ্খলাজনিত কারণে প্রশাসনিক বদলি করা যাবে। তবে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক প্রশাসনিক বদলির জন্য মহাপরিচালক বরাবর সুপারিশ প্রেরণ করবেন।

প্রশাসনিক কারণে বদলি হওয়ার ৩ (তিন) বছরের মধ্যে কোনো শিক্ষক পুন:বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

একই উপজেলার বিদ্যালয় সমূহের মধ্যে শ্রেণি কক্ষ শিক্ষক-ছাত্র সংখ্যার অনুপাতে শিক্ষকদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার
প্রয়োজনে মহাপরিচালক বিদ্যালয় ভিত্তিক শিক্ষক সমন্বয় বদলির আদেশ জারি করবেন।

সংযুক্তি

ডিপিএড/সিইনএড. প্রশিক্ষণে এক বা একাধিক শিক্ষকদের যোগদানের কারণে কিংবা কোন শিক্ষকের যোগদানের কারণে কিংবা কোন শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত জনিত শূণ্য পদের বা মাতৃত্বজনিত ছুটির কারণে শিক্ষক স্বল্পতা হেতু কোনো বিদ্যালয়ের পাঠদান বিঘ্নিত হওয়ার কারণে উপজেলা/ থানা শিক্ষা অফিসার প্রস্তাবের ভিত্তিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য মেয়াদ উল্লেখপূর্বক সংযুক্তির আদেশ প্রদান করবে।

মেয়াদ শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত আদেশ বাতিল হবে। একই শিক্ষককে একাধিক বার সংযুক্তি দেয়া যাবেনা। সংযুক্তির আদেশকারী কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে বা প্রশাসনিক কারণে সংযুক্তি আদেশ বাতিল করতে পারবেন।

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২২ pdf download

সতর্কতা: অনলাইনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি আবেদনের আগে এই নীতিমালা ভালোভাবে পড়ে দেখুন। নিচের যুক্ত নীতিমালা থেকে বদলি সংক্রান্ত সকল তথ্য জানা যাবে। কেবলমাত্র নিচের সংযুক্ত নীতিমালা পড়ে আবেদন শুরু করুন।

কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে আপনার সহকর্মীর সাথে আলোচনা করুন। এছাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার এর সাথে যোগাযোগ করে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২২

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২২

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের লিখে জানান।

তথ্যটি সবাইকে জানাতে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুন।

আরো দেখুন:

Primary Education Ministry Notice, Gazette, Office Order

Shikkhok Batayon: শিক্ষক বাতায়ন কন্টেন্ট ডাউনলোড (teachers.gov.bd)

shikkhok.com: বাংলায় অনলাইনে মুক্ত জ্ঞানের মেলা (শিক্ষক ডট কম)

তথ্যসূত্র-

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

Share This:

2 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।