প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ (পরীক্ষার রুটিন, সিলেবাস ও মানবন্টন)

বিেষয়এ বি২০২২ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন, সিলেবাস ও প্রশ্ন পত্রের মানবন্টন সম্পর্কে জানুন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ (পরীক্ষার রুটিন, সিলেবাস ও প্রশ্ন পত্রের মান বন্টন)

দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখ সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন এক সিদ্ধান্তে ২৯ তারিখের পরিবর্তে বৃত্তি পরীক্ষা ৩০ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বৃত্তি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িযে ২০% করা হয়েছে।

১ ডিসেম্বরের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে, প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা জানাতে বলা হয়েছে।

২০২২ সালের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা না হলেও, চলতি বছর প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছে অধিদপ্তর।

নতুন সময়সূচি অনুসারে ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা সদরে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিকের ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার তারিখ, নির্ধারিত বিষয় ও প্রশ্ন পত্রের মানবন্টন সম্পর্কে সুষ্পষ্ট ধারণা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

আরো জানুন:

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ফলাফলে উত্তীর্ণদের যোগদান করতে নির্দেশনা

DPE Notice (www.dpe.gov.bd) Primary Notice দেখুন

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন, পরীক্ষা ৩০ ডিসেম্বর (সংশোধিত)

সংশোধিত সময়সূচি অনুসারে, প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত হবে।

২৭ ডিসেম্বর পরীক্ষার প্রবেশ পত্র বিতরণ করা হবে। বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ৫০/= টাকা ফি দিতে হবে।

উপজেলা সদরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক বৃত্তিতে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারবে। এর আগে ১০ শতাংশের কথা বলা হয়েছিলো।

সবশেষ ২০ ডিসেম্বর, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২২ এর প্রশ্নের কাঠামো সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছে প্রাথমিক অধিদপ্তর।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার সিলেবাস (বিষয়) ও প্রশ্ন পত্রের মান বন্টন

প্রাথমিক বৃত্তি ২০২২ এর প্রশ্নের কাঠামো ও মান বন্টন সম্পর্কে সাধারণ নির্দেশীকা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

২০ ডিসেম্বর তারিখে প্রকাশিত সবর্শেষ নির্দেশনায়, বিষয় ভিত্তিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রশ্নের কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের পরীক্ষার হবে। বাংলা, ইংরেজী, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

দুই ঘন্টার মধ্যে এসব বিষয়ের উত্তর দিতে হবে। প্রাথমিক বৃত্তি ২০২২ এর প্রশ্নের কাঠামো ও মান বন্টন সম্পর্কে সাধারণ নির্দেশনা জানুন।

শিক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্র সম্বলিত বুকলেট সরবরাহ করা হবে। বুকলেট এর নির্ধারিত জায়গায় টিক চিহ্ন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে লিখে সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। পৃথকভাবে উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে না।

বাংলা, প্রাথমিক গণিত, ইংরেজি ও প্রাথমিক বিজ্ঞান এই চারটি বিষয়ের প্রতিটির জন্য ২৫ নম্বর করে সর্বমোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতি বিষয়ে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে যার প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ নম্বর। প্রতি প্রশ্নের চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তরটিতে টিক চিহ্ন দিতে হবে।

সঠিক উত্তর নির্বাচনে একাধিক অপশনে টিক চিহ্ন দেওয়া যাবেনা। একাধিক অপশনে টিক চিহ্ন দেওয়া হলে এ প্রশ্নের উত্তরের জন্য নির্ধারিত নম্বর প্রদান করা হবে না।

বাংলা বিষয়ে দুইটি অনুচ্ছেদ দেওয়া থাকবে। দুইটি অনুচ্ছেদ থেকে ৪টি করে ৮টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে এবং অপর ৭টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন সমগ্র পাঠ্যপুস্তক হতে থাকবে । একটি রচনামূলক প্রশ্ন থাকবে যার নম্বর ১০ ।

গণিত বিষয়ে সমগ্র পাঠ্যপুস্তক হতে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। দুটি সমস্যা সমাধানমূলক প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটির মান ৫ নম্বর করে মোট ১০ নম্বর।

ইংরেজি বিষয়ে সমগ্র পাঠ্যপুস্তক হতে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ লিখতে হবে। যার মান ১০ নম্বর।

প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে সমগ্র পাঠ্যপুস্তক হতে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। দুটি রচনামূলক প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটির মান ৫ নম্বর করে মোট ১০ নম্বর।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে প্রাথমিক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি দেখুন।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রশ্নের মানবণ্টন ২০২২

প্রাথমিকের পিইসি পরীক্ষা শুরুর পর থেকে আর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে পিইসি পরীক্ষা উঠিয়ে দেওয়ার কারণে পুনরায় বৃত্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষায় যে সংখ্যায় শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করতে পারবে

প্রাথমিকের ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। জেলার মোট শিক্ষার্থীর ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আয়োজনের কতগুলো কেন্দ্র প্রয়োজন তা জানাতে চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নতুন এক নির্দেশনায় বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা পুনঃনির্ধারণ করে ২০% করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের তথ্য ও কেন্দ্রের তথ্য পাঠাতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানুন।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার তারিখ (রুটিন) প্রকাশ করা হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

২০২২ সালের প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের লিখে জানান।

তথ্যটি সবাইকে জানাতে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুন।

আরো দেখুন:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষার রুটিন ২০২২

DPEd Board NAPE Notice: নেপ ডিপিএড বোর্ড পিটিআই ফলাফল

তথ্যসূত্র-

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

Share This:

48 Comments

    1. ১০০ নম্বরের পরীক্ষার হবে। বাংলা, ইংরেজী, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা হবে। দুই ঘন্টায় এসব বিষয়ের উত্তর দিতে হবে।

    1. এর চেয়ে বেশী তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করলে আমরা তৎক্ষনাৎ জানানো চেষ্টা করবো।

    1. এই প্রতিবেদনের শেষ অনুচ্ছেদে বৃত্তির সিলেবাস সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক অধিদপ্তর আরো তথ্য প্রকাশ করলে আমরা জানাবো।

    1. চার বিষয়ে পরীক্ষা হবে এটা প্রতিবেদনে উল্রেখ আছে। এর চেয়ে বেশী তথ্য আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নেই। তবে বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হলে বিস্তারিত বলা যাবে।

  1. বিদ্যালয়গুলোতে যে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, তার রেজাল্টের ভিত্তিতে ১০% শিক্ষার্থী চয়ন করা উচিৎ। পত্রিকাগুলোও এরকম বলেছে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া দরকার। অনেক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে তারা এখন বৃত্তি পরীক্ষাকে উপলক্ষ করে আবার শিক্ষার্থীদের নতুন করে মূল্যায়নের চেষ্টা করছে। এজন্যে তারা ৩ থেকে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ১০/১২ দিনের কোচিং করানোর অফার দিচ্ছে অভিভাবকদের। এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের যথাযথ পদক্ষেপ আশা করছি।

  2. বিদ্যালয়গুলো বার্ষিক পরীক্ষা না কোন বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে ১০% সেরা শিক্ষার্থী চয়ন করবেন। এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কোন নির্দেশনা দিয়েছে কি না? এ সম্বন্ধে একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।

    1. M মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা কী হবেনা? পরীক্ষার তারিখ ঠিক করা হলো, কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার কথা নিশ্চিত হইলাম না!

  3. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর হঠাৎ করে বৃত্তি পরীক্ষা ঘোষণা করলো কিন্তু কোন প্রশ্ন কাঠামো দেয়নি্। কষ্ট করে প্রশ্ন কাঠামো প্রকাশ কবলে ভালো হতো।

    1. a) মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা কি প্রতি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে হবে?
      b) প্রশ্নের ধরণ কি বহুনির্বাচনি বা এক কথায় উত্তর বা সংক্ষিপ্তউত্তর হবে?
      জানিয়ে দিলে উপকৃত হবে শিক্ষার্থীরা।

    2. মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা কি প্রতি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে হবে। আমরা এতটুকু তথ্য পেয়েছি। তবে প্রশ্নের ধরণের বিষয়ে কিছু জানতে পারিনি।

  4. মনে করেন কোন বিদ্যালয়ে ১৩ জন শিক্ষার্থী আছে এখন এই ১৩ জন শিক্ষার্থী হতে বৃত্তি পরীক্ষারর জন্য কিভাবে নির্বাচিত করতে হবে একটু জানাবেন?

  5. এখন দেখা যাচ্ছে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল মূল্যায়ন না করে মনের মত করে শিক্ষক রা বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করছেন।এইটার কোন নিয়ম আছে একটু জানাবেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 − 4 =